বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে আজকা বাজার নামাক এলাকায় তার মরদেহ ভাসতে দেখে নৌ পুলিশকে জানান স্থানীয়রা। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ওই জেলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়।
মৃত শাকিল সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া এলাকার মো. রহিম বেপারীর ছেলে।
.png)
ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে আমাদের নিয়মিত অভিযানে লক্ষ্মীরচর এলাকায় মা ইলিশ নিধনকালে মাছ ধরার নৌকাকে হেফাজতে নেয়ার জন্য চেষ্টা করা হয়। জেলেরা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ সময় ওই ট্রলারে থাকে ৮ জন জেলের মধ্যে সবাই নদীতে ঝাঁপ দেন। এর মধ্যে আমরা ৭ জনকে আটক করলেও একজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে বাকি ৭ জনকে থানায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়।
ওসি আরো বলেন, মরদেহ থানা থেকে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।
নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের এসপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সত্য। জেলেরা পুলিশ দেখে নদীতে পালানোর সময় ওই ট্রলারে থাকা ৮ জেলেই ঝাঁপ দেন। ৭ জনকে আটক করলে তারা তখন বলে আমাদের সঙ্গের আরেকজন নেই। সেই নিখোঁজ জেলের মরদেহ আজ উদ্ধার হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নদীতে ঝাঁপ দিতে গিয়ে ট্রলারের পাখার সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং ডুবে মারা যান।