রাব্বি-সেতু নামে বাসটি প্রতিদিন গার্মেন্ট কর্মীদের বহন করতো। বাসটির মালিক টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মুসিন্দা গ্রামের মো. আবু হানিফ শিকদার। বাসটি সড়কে চলাচলের অনুমতি হারিয়েছে ২০১৯ সালের ১ জুন। ফিটনেস হারিয়েছে ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি।
ফিটনেসবিহীন এ বাসটিকে ধাক্কা দেওয়া শেরপুর থেকে ঢাকাগামী এস এস ট্রাভেলসের গাড়িটির বেপরোয়া গতির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
.png)
ফিটনেসবিহীন গাড়িটির মালিক এখনো মো. আবু হানিফ শিকদার। তিনি বলেন, অন্তত চার বছর আগে বাসটি ঢাকার একজনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। ফিটনেস না থাকয় বিক্রি করা হয়েছিল। বাসটি সড়কে চলাচল করে ছয়জনের মৃত্যুতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
বিআরটিএ ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) এ.এস.এম ওয়াজেদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থলে কাজ করছি। দুর্ঘটনার কারণ নিশ্চিত হতে কাজ চলছে। গাড়ির রোড পারমিট বা অন্যান্য কাগজপত্র ছিলো কি না যাচাই করা হয়নি। ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবুও সেগুলো সড়কে চললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতদের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাস্টিবোর্ড থেকে প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার চেলের ঘাট এলাকায় দুই বাসের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ১২ জন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উপজেলার চেলেরঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সকলেই গার্মেন্টসকর্মী।