ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ে ভাঙতে ইউএনওর কাছে ছাত্রীর আবেদন, অতঃপর...

পিরোজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:৪০, ১১ অক্টোবর ২০২৩
বিয়ে ভাঙতে ইউএনওর কাছে ছাত্রীর আবেদন, অতঃপর...
ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় এক মাদরাসাছাত্রী লিখিত আবেদন পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

মঙ্গলবার ইউএনও আহমেদ সাজ্জাদ সাব্বির তার অফিসের ডাক ফাইলে ছাত্রীর নিজের হাতে লেখা একটি আবেদনপত্র দেখে জানতে পারেন কদমতলা ইউনিয়নের বালিকা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দিতে চায় তার পরিবার। পরে ইউএনও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. গোলাম মোস্তফাকে ছাত্রীর বাড়িতে পাঠান বিস্তারিত জানতে।

মাদ্রাসাছাত্রী আবেদনপত্রে উল্লেখ করে- তার শ্রেণি রোল নম্বর ১০, বয়স ১৫ বছর ২ মাস ১৭ দিন। এখনো ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি। তার মা-বাবা মেয়েকে জোরপূর্বক বাল্যবিবাহ দিতে চান।

Advertisement

ওই ছাত্রী জানায়, তারা দুই ভাই ও দুই বোন। বোনের মধ্যে সে ছোট। তার বিয়ের ব্যাপারে বড় বোন ও ভগিনীপতি ওঠেপড়ে লেগেছে। তবে সে আরো লেখাপড়া করতে আগ্রহী।

সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ জানান, শিক্ষার্থী নাজমিন তার কাছে নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধের জন্য লিখিত একটি আবেদন করে। তিনি উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে পাঠিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।

পিরোজপুর সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, শিক্ষার্থীর লিখিত আবেদনের কারণে তাদের বাড়ি কদমতলায় গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে শিক্ষার্থীর বাবা লিখিত অঙ্গীকার করেন ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার মেয়েকে বিয়ে দিবেন না।

শিক্ষার্থীর বাবা মো. মোতালেব হোসেন জানান, তার মেয়ের বিয়ের কোনো আয়োজন তাদের বাড়িতে ছিল না। শুধুমাত্র তার মেয়েকে দেখতে আসার কথা ছিল। তিনি তার মেয়েকে বিয়ের দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছেন মাত্র।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!