মঙ্গলবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত উজ জামানের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে নিহত সোহেল উদ্দিনের স্ত্রী বাদী হয়ে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি ছয়জনকে আসামি করে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন।
.png)
অভিযোগে জানা যায়, বিএমচর ইউনিয়নরে ৮ নম্বর ওয়ার্ড পাহাড়িয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোহেল উদ্দিন চকরিয়া পৌরশহরের থানা রাস্তার মাথা এলাকায় হোসাইন মার্কেটে মা সার্জিকেল নামক ব্যবসা পরিচালনা করতেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার প্রবাসী নবী হোসেনের স্ত্রী কাউছার আক্তার সুমির সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। সোহেল উদ্দিন চকরিয়া হাইস্কুল রোডে সুমির ভাড়া বাসায় আসা যাওয়া করতেন।
একপর্যায়ে টাকা লেনদেনের বিষয়ে সুমি অপরাপর আসামিদের যোগসাজসে সোহেল উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। পরে তিনি গুরুতর আহত হলে সুমি তার সহযোগিসহ সোহেল উদ্দিনকে স্থানীয় জমজম হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে সোহেলকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, এক নারী ও কয়েকজন পুরুষ সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন। যাওয়ার সময় তারা বলেন, সোহেল স্ট্রোক করেছেন।
এদিকে আদালতে মামলা দায়েরের পর আদালতের বিচারক আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্ত দেন। কক্সবাজার জেলা সিআইডির পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি তদন্ত করেন। একপর্যায়ে তিনি মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে লাশ উত্তোলনের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে লাশ উত্তোলনের অনুমতি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ প্রদান করেন।
অবশেষে আজ মঙ্গলবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহাত উজ জামানের উপস্থিতিতে সোহেলের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।