নিহত সুজন নরসুন্দর পার্শ্ববর্তী উপজেলা আমতলীর চাওড়া গ্রামের নির্মল দাসের ছেলে।
জানা যায়, রোববার রাতে সেলুনে এসে সার্টার বন্ধ করে ভেতরে প্রবেশ করে এরপর সোমবার সারাদিন সেলুন বন্ধ দেখে চুল কাটাতে আসা গ্রাহকরা ডাকাডাকি করে। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দোকানের ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিয়ে সেলুনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে রাতে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
.png)
নিহত সুজন বাবলাতলা বাজারে আরেক সেলুন ব্যবসায়ী তপনের বাসায় খাবার খেতেন। তপনের স্ত্রী জানায় গতকাল রাতের খাবার খেয়ে দোকানে চলে যান নিহত সুজন। তবে মাঝে মধ্যে দুপুরে খাবার খেতে বাসায় যেত না, তাই তিনি ভেবেছিলেন হোটেলে খেয়েছেন। সন্ধ্যার পরে খবর পেয়ে ছুটে যান তিনি। নিজ এলাকার একটা মেয়ের সঙ্গে সুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। এটা নিয়ে ও খুব টেনশনে ছিলো, কিন্তু এই বিষয় তাকে কিছু জানায় নি।
মহিপুর থানার ওসি ফেরদৌস আলম জানান, রাতে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। নিহত সুজনের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।