নিহত শিপার বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কামাল হোসেন তালুকদার জানান, গত বুধবার শিপার বাড়ি থেকে কাউকে না বলে ভোলা নদী পার হয়ে কাঁকড়া ধরতে একা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তার বাবা ফারুক হাওলাদার এর আগে বন বিভাগের ধানসাগর স্টেশন অফিস থেকে অনুমোদন নিয়ে সুন্দরবনের পৃথক স্থানে মাছ ধরতে যান।
.png)
ফারুক হাওলাদার শনিবার দুপুরে বাড়িতে এসে জানতে পারেন তার ছেলে শিপার চারদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এরপর তিনি বাড়ির কাছাকাছি সুন্দরবনে খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে এলাকাবাসীকে জানান। রোববার সকালে তার নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন এলাকাবাসী সুন্দরবনে শিপারকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে সকাল ৮টার দিকে বনের তুলাতলা খাল এলাকায় শিপারের মাথা দেখতে পান তারা। এ সময় এলাকাবাসী শিপারের ক্ষতবিক্ষত মাথা উদ্ধার করেন। এছাড়া তারা আশপাশে বাঘের পায়ের অসংখ্য ছাপ দেখতে পান।
এরপর আশপাশের বন তল্লাশি করে তার পরিধেয় কাপড় উদ্ধার করা হয়। তাদের ধারণা- বাঘটি শিপারের সম্পূর্ণ দেহ খেয়ে ফেলেছে।
বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, শিপারের বাড়ি সুন্দরবন সংলগ্ন হওয়ায় তিনি বন বিভাগের অনুমতি না নিয়ে একা বনে প্রবেশ করেন। সকালে এলাকাবাসী খোঁজাখুঁজি করে তার মাথা নিয়ে আসার পর আমরা ঘটনাটি জানতে পারি। ভোলা নদীতে পানি থাকায় রাতে এলাকাবাসীর অনেকে সুন্দরবনে প্রবেশ করে থাকেন।