ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২৭ বছর পর গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৪৬, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২৭ বছর পর গ্রেফতার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দীর্ঘ ২৭ বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হল না ধর্ষণ ও হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ওয়াহিদুল্লাহর। নাম পরিচয় গোপন রেখে ২৭ বছর পালিয়ে থাকার পর ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। 

রোববার রাতে সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলার বিন্নারবন্দ ঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। সাজাপ্রাপ্ত ওয়াহিদুল্লাহ জেলার ভৈরব উপজেলার মৌটুপি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, ১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভৈরবের মৌটুপি এলাকার রসুলপুরের একটি ডোবায় অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। বিষয়টি তখন এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ব্যাপারে ভৈরব থানায় একটি মামলা হয়। ঘটনার পর পরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান মৌটুপি গ্রামের ওয়াহিদুল্লাহ।

Advertisement

পুলিশ আরো জানায়, ঢাকায় বাদাম বিক্রি করতেন ওয়াহিদুল্লাহ। তার কথিত বন্ধু নিজামের সঙ্গে হত্যার শিকার অজ্ঞাত নারীকে ওয়াহিদুল্লাহ নিজ বাড়িতে এনেছিলেন। পরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

এদিকে, ভৈরব থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। পরে ২০০২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পলাতক ওয়াহিদুল্লাহকে যাবজ্জীবনসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আল আমিন হোসাইন জানান, পলাতক ওয়াহিদুল্লাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। একপর্যায়ে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বিন্নারবন্দ এলাকায় গিয়ে নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে নতুন পরিচয় ধারণ করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবশেষে ওয়াহিদুল্লাহকে ঐ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!