দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আতুরার ডিপো মৃধা পাড়ার জহির সওদাগরের বাড়ির আবু ছিদ্দিকের ছেলে মো. হাছান ও ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বারই এলাকার মো. আসসাফ আলীর ছেলে আবু বক্কর খান রাজু।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী নেছার আহম্মেদ বলেন, হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩০২ ধারায় দুই আসামি মো. হাছান ও আবু বক্কর খান রাজুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩৯৪ ধারায় দুইজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
.png)
সেই জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় মো. হাছান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আবু বক্কর খান রাজুর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১৩ আগস্ট রাতে নগরের কোতোয়ালি থানার সিরাজউদদৌলা সড়কে নিজ বাসার সামনে কাজল চৌধুরীর বুকে ও বগলে ছুরিকাঘাত করে সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন ছিনতাইকারীরা। ব্যাগে ফার্মেসির ওষুধ বিক্রির ২৭ হাজার ৩৭০ টাকা ছিল। কাজলকে বাঁচাতে তার ভাই উজ্জ্বল ও বাসার দারোয়ান লতিফ এগিয়ে গেলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে গিয়ে দুই ছিনতাইকারীকে আটক করেন। আহত অবস্থায় কাজলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঐ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন কাজলের স্ত্রী। মামলাটির তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ৩০ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২০ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলাটিতে ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।