পৌর এলাকার ভূরঘাটা বাজারের ব্যবসায়ী দবির মোল্লা বলেন, শুক্রবার সকালে হনুমানটি আমাদের বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। আমি তখন ঐ ক্ষুধার্ত হনুমানকে খাবার দিয়েছি।
স্থানীয় শিক্ষক লোপা রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে হনুমানটিকে পূয়ালী এলাকার একটি বাসার ছাদে দেখা গেছে। এ সময় অনেকেই হনুমানটিকে কলা, পাউরুটি, বিস্কুট খেতে দেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, মুখপোড়া হনুমানটি এক সপ্তাহ ধরে ভূরঘাটা, পূয়ালী, রেন্ডিতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছে। বন্যপ্রাণী হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসায় উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করছেন। তবে হনুমানটি যখন যাদের বাড়ির ছাদে অবস্থান করে, তখন তারা আতঙ্কে থাকেন। এটির মুখের অবয়ব দেখে শিশুরাও ভয় পায়। এমতাবস্থায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগ নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।
পূয়ালী গ্রামের আকবর হোসেন বলেন, অনেক দিন ধরে ভূরঘাটা এলাকায় হনুমানের আগমন দেখি না। তবে হঠাৎ হনুমান লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুবই ভালো লাগছে। মানুষ হনুমানকে খাবার দিচ্ছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানাই।
ব্যবসায়ী দবির মোল্লা বলেন, বন্যপ্রাণীদের খাবার খাওয়াতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই আমি হনুমানটি দেখলেই রুটি, কলাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার দেই। এ কারণে হনুমানটি আমাকে দেখা মাত্র আমার কাছাকাছি চলে আসে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, কেউ যেন হনুমানটিকে বিরক্ত না করে। সেই সঙ্গে এর থেকে দূরত্ব বাজায় রাখতে পরামর্শ দেন তিনি।