বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিয়ে একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন ওই পাগলি। পাগলিটি ছেলে সন্তানের মা হয়েছে ঠিকই কিন্তু পৃথিবীর আলো দেখা এই ফুটফুটে শিশুর বাবা কে? এটাই এখন সবার প্রশ্ন। মা ও নবজাতক শিশুটি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে মানবিক সংগঠন খুলনা ফুড ও ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. সালেহ উদ্দিন সবুজ বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাকে খুলনা রেলস্টেশন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ডা. লায়লা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধায়নে সকালে নরমালে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।
.png)
বিষয়টি ডা. লায়লা ইয়াসমিনের স্বামী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আবু বকর সিদ্দিক আমাকে জানান। ডা. লায়লা ইয়াসমিন বাচ্চাটিকে আমাদের কাছে দিলে আমরা আমাদের অ্যাম্বুলেন্সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। বর্তমানে তারা সেখানে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর বয়স আনুমানিক ২৮ বছর হবে। তিনি কোনো কথাই বলেন না। অনেক চেষ্টা করেও কিছুই জানতে পারিনি। বাচ্চা ও মায়ের সার্বক্ষণিক পাশে আছে খুলনা ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীরা। যেহেতু মা একেবারে মানসিক ভারসাম্যহীন তাই যথাযথ আইন কানুন মেনে বাচ্চাটিকে দত্তক দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। আগ্রহীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন- ০১৯১১৫০৯৮৯৮ ও ০১৯৬৯৭৯৩৮৭৬ এই নম্বরে।