বুধবার সকালে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী টেবিলে রাখা কাঁচের গ্লাস ভেঙে নার্সের ওপর হামলা চালান। এতে একজন সিনিয়র নার্স ও আয়া আহত হন। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেডিকেল টেস্ট করিয়ে পুলিশ হেফাজতে ওই তরুণীকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে ওই গৃহবধূ বাড়িতে একা ছিলেন। টের পেয়ে গৃহবধূর বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন আসামি আব্দুর রশিদ (৩০)। আসামি তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউপি ধানুরা গ্রামের আকবর আলী ছেলে।
.png)
এরপর মঙ্গলবার ওই নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার ওসিসিতে ভর্তি হলেও বুধবার মেডিকেল পরীক্ষার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ডাক্তার আসেননি। এতে ওই কিশোরী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, ওসিসি হাসপাতাল হলেও এর নিয়ন্ত্রণ কলেজের। ওই নারী আক্রমণাত্বক হয়ে যাওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট করাতে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এরপর তানোর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আর ওই নারীর হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন।
তানোর থানার ওসি আব্দুর রহিম জানান, ওই নারী ভয় পেয়ে এমন কাজ করে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন। তার মেডিকেল টেস্টের পর তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর পরিবারের জিম্মায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর মেডিকেল রির্পোট আসতে কয়েকদিন সময় লাগবে।