সোমবার দুপুর ১২টায় বেতাগী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাইস্কুল রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জামাল হাওলাদার ওই এলাকার লতিফ হাওলাদারের ছেলে। অসুস্থ গৌতম চন্দ্র দাস পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের অমৃত দাসের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের হাইস্কুল রোড এলাকায় স্কুল শিক্ষক নজরুল ইসলামের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন দুইজন শ্রমিক। একপর্যায়ে ভবনের সিঁড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকের কাজ করতে জামাল হাওলাদার ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এরপর ট্যাংকের ভেতরে থাকা গ্যাসের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তাকে উদ্ধার করতে নামেন আরেক নির্মাণ শ্রমিক গৌতম চন্দ্র দাস। তিনিও সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
.png)
ভবনের মালিক শ্রমিকদের খোঁজ না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে জামালকে অজ্ঞান অবস্থায় আর গৌতমকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জামালকে মৃত ঘোষণা করেন এবং গুরুতর অসুস্থ গৌতম চন্দ্র দাসকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাহমিদা লস্কর বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই জামালের মৃত্যু হয়েছে। আর গুরুতর অসুস্থ গৌতমকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিৎকিসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছি।
বেতাগী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মৃত শ্রমিক জামালের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবন মালিককে থানায় আনা হয়েছে।