শনিবার দুপুরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়।
গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. নারগিস তানজিমা ফেরদৌস এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাহিদুল ইসলাম জানান, ঐ স্কুলছাত্রীর বয়স কম থাকায় মা ও নবজাতককে বাঁচানো নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। তবে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। মা ও নবজাতক সুস্থ রয়েছে।
.png)
গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্রাবনী রায় জানান, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছে। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ আছে। ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ভুক্তভোগীর পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
১০ মাস আগে প্রতিবেশী দাদা জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদুল খাঁ (৫৮) তার ভ্যানে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগী চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। এ ঘটনার সাত মাস পর শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এটি তার চাচির নজরে আসে। স্থানীয় একটি ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ভুক্তভোগীর গর্ভে সন্তান থাকার বিষয়টি জানা যায়। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বলে। সব জানার পর গত ১৮ জুন শিশুটির দাদি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন গুরুদাসপুর থানায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ আগস্ট রাতে র্যাব ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার হেলেঞ্চা এলাকা থেকে অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।