বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ (অর্থ ও প্রশাসন) মোস্তাক সরকার প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
তারা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার এলংজুরী সোনাকান্দা গ্রামের শামছুল মিয়ার ছেলে তাইজুল ইসলাম (২৭), একই উপজেলার মর্দাপাড়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে পলাশ মিয়া (৩৫), এলংজুরী মনসন্তোষপাড়া গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন (৪৫), মিঠামইন উপজেলার সোনাপুর গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়া (৩৮), একই উপজেলার অলুয়া গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৪১) ও মহিষারকান্দি গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে নূর আলম (৩০)।
.png)
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে জয়সিদ্ধি বাজার নৌকাঘাট থেকে চামটাঘাট যাচ্ছিলেন ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি এলাকার এস এম আমানত ওরফে আমানসহ নয় ব্যক্তি। ট্রলারটি বড়িবাড়ি ইউনিয়নের ধনু নদীতে কাটাখাল নামক স্থানে গেলে ডাকাতদলের কবলে পড়ে। দুটি ট্রলারে করে আসা অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন ডাকাত দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও মারধর করে ট্রলারটির যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৩৬ হাজার টাকা ও ১০টি মোবাইল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এস এম আমানত ওরফে আমান বাদী হয়ে গত বুধবার ইটনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইটনা উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়নের ধনু নদীর কুলিরভিটার কাশবন সংলগ্ন হাওর থেকে ছয় নৌ-ডাকাতকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি নৌকা, ১২ ইঞ্চি লম্বা একটি চাপাতি, ৩১ ইঞ্চি লম্বা একটি রাম দা’, ২২ ইঞ্চি লম্বা একটি দা’, দুটি এসএস পাইপ, তিনটি হাঁসুয়া, একটি টর্চলাইট, একটি বাঁশের লাঠি, একটি রশি, একটি প্লাস্টিকের বস্তা, একটি সাইড ব্যাগ, একটি বাটন মোবাইল ও নগদ ১১ হাজার ৩৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ নূরে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) মো. আল আমিন হোসাইন, অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সামুয়েল মারমা, ইটনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবীবসহ সংশ্লিষ্টরা।