বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিপিসি-৩ র্যাব-৪ এর কোম্পানির লে. কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন।
গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ আকন্দ বগুড়া জেলার শেরপুর জাঝড় এলাকার আব্দুল আজিজ আকন্দের ছেলে।
.png)
জানা যায়, আফাজ উদ্দিন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মজিদ আকন্দ তার খুব ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। তাদের বসবাস একই এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে আফাজ উদ্দিন ও তার সহযোগী মজিদ, ইকবাল, শামীম, কাফী মাদকসেবন ও ব্যবসা করে আসছিলেন। চলতি মাসের ২৮ আগস্ট শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আসেন আফাজ উদ্দিন। তার স্ত্রী চায়না বেগম রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফোন দিলে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আগামীকাল যাবেন বলে জানান। পর দিন (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে আফাজ উদ্দিনের বড় ভাই মিঠুর ফোনে চায়না বেগম জানতে পারেন তার স্বামী মারা গেছেন।
চায়না বেগম এসে দেখেন শোবার ঘরে আফাজ উদ্দিনের মরদেহ পড়ে আছে। পরে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় চায়না বেগম বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মানিকগঞ্জের কাটিগ্রাম এলাকা থেকে আফাজ উদ্দিনের মোবাইল ও আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
সিপিসি-৩ র্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, বগুড়া জেলার শেরপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৪, সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে।