বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পৌর শহরের নিউটাউন ও আমলাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আমলাপাড়া ও নিউটাউন এলাকায় আবার যুবকদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আহতদের মধ্যে শাহদাত হোসেন, মিলন মিয়া, আশিক মিয়া, দিলদার, নিপা বেগম, শুকমান মিয়া, সামী মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন, বাদশা মিয়া, রবিন মিয়াকে ভৈরবের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত শাওন মিয়া ও বিল্লাল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকাল ৫টার দিকে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শহরের নিউটাউন এলাকার সামী, সাজ্জাদ, শাওন, রবিন, বিজয় ও আমলাপাড়া এলাকার শাহাদাত, সঞ্জু, মোস্তাকসহ কয়েকজন যুবকের বাগবিতণ্ডার মাধ্যমে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় দফায় দফায় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে রাত ১০টার দিকে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা, দাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের ৩১ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা আরো জানান, কিছু মাদকসেবি ও ব্যবসায়ীদের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। গত ২৭ আগস্ট মাদক নিয়ে আমলাপাড়া এলাকায় ভাঙচুর হয়েছে। সেই ঘটনার জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, বুধবার রাতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শহরের নিউটাউন এলাকা ও আমলাপাড়া এলাকার যুবকরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফের বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউন এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।