নিহত আফাজ উদ্দিন লিটন ঐ গ্রামের জহুরুল ইসলাম খোকা মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত ব্যক্তি একজন মাদকাসক্ত। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। সম্ভবত মাদক ব্যবসার টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই আফাজ উদ্দিন লিটনকে হত্যা করা হয়েছে।
.png)
নিহতের স্ত্রী চায়না বেগম জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে তার স্বামী বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাতে বাড়ি ফেরেননি। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে গ্রামের পরিত্যক্ত ঐ ঘরের মধ্যে তার স্বামীকে রক্তমাখা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। একপর্যায়ে দেবর শামীম হোসেনের মাধ্যমে ফোনে খবরটি জানতে পারেন তার স্ত্রী। এরই মধ্যে স্থানীয় লোকজন শেরপুর থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
তবে কে বা কারা তার স্বামীকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনো কিছুই বলতে পারেননি তিনি।
শেরপুর থানার ওসি বাবু কুমার সাহা জানান, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গলায় সামান্য কাটা জখমের চিহ্নও রয়েছে।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। এরপরও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে নানা দিক সামনে রেখে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।