রমজান ওই এলাকার মনির হোসেনের ছেলে ও ভোলানাথপুর মল্লিক বাড়ি মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রমজানের বাবা ও মায়ের পারিবারিক কলহের কারণে রমজান তার মা লাইজু বেগমের সঙ্গে থাকতো। লাইজু বেগম বেতাগী সরকারি কলেজে আয়া হিসেবে কাজ করেন। বুধবার সকালে মাদরাসায় না যাওয়ার কারণে লাইজু রমজানকে বকাঝকা করেন। এরপর তিনি কলেজে চলে যান। দুপুরে লাইজু বাড়ি ফিরে দেখেন; ঘরে ফ্যানের হুকের সঙ্গে রমজানের মরদেহ ঝুলছে। পরে তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা এসে লাশ উদ্ধার করে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ষোষণা করেন।
.png)
বেতাগী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি সুইসাইড নোট ও দড়ি উদ্ধার করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।