বুধবার ভোরে টাঙ্গাইল থেকে র্যাব-৫ এবং র্যাব-১৪ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাব-৫ জয়পুরহাট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মান্দা থানার শ্রীরামপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে নাহিদ হোসেন (১৯) এবং পত্নীতলা থানার শিবপুর গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে তুহিন (২০)।
নিহত অটোরিকশা চালক গোলাম রাব্বানী (৩৫) মান্দা থানার গনেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের আব্বাস উদ্দীন সরদারের ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, গোলাম রাব্বানী প্রতিদিনের মতো গত ১৪ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। ঐদিন দুপুর ২টার পর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় জিগাতলা ব্র্যাক ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় সকাল ১০টা ২ মিনিটে নিখোঁজ রাব্বানী তার অটোরিকশায় একই এলাকার নাহিদ ও তুহিনকে নিয়ে জেলার মহাদেবপুর থানার দিকে যাচ্ছিলেন। এর দুইদিন পর সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর নাহিদ ও তুহিন গা ঢাকা দেন। ১৭ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মান্দা থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করেন। পরদিন বিকেলে জেলার মহাদেবপুর উপজেলার সাগরইল বাজার সংলগ্ন গুনদইল খাড়ির ব্রিজ এলাকা থেকে গোলাম রাব্বানীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৫ নজরদারি অব্যাহত রাখে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তীতে আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে টাঙ্গাইলে অবস্থান নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৫ ও র্যাব-১৪ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী নাহিদ ও তুহিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মান্দা থানার ওসি কাজী মোজাম্মেল হক জানান, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃতদের থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।