মঙ্গলবার বিকেলে যশোরের অতিরিক্ত দায়রা জজ তাজুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বর্নি গ্রামের ইউসুফ আলী শেখের ছেলে একরামুল হক, গৌরম্ভা গ্রামের হাকিম বয়াতির ছেলে হান্নান বয়াতি, আজিম উদ্দিনের ছেলে মান্নান ওরফে ছোট, ফকিরহাট উপজেলার আটটাকা গ্রামের অজিবর রহমানের ছেলে সাবু, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বিরাট গ্রামের আমান উল্লার ছেলে রনকুল ইসলাম এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার ডুমুরতলা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে এনায়েত হোসেন। আসামিরা পলাতক রয়েছেন। এছাড়া এ মামলার অপর আসামি খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার শেফালিডাঙ্গা গ্রামের মশিউর রহমান মুকুলকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আসাদুজ্জামান।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালের ৭ অক্টোবর সকালে যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সামনে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার গলায় রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন এসআই আসলাম খান। মামলাটি তদন্তকালে বেরিয়ে আসে অজ্ঞাত ব্যক্তি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার বর্নি গ্রামের নুর উদ্দীন শেখের ছেলে আবু জাফর।
উল্লিখিত আসামিরা জাফরকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে আসেন। পরে তাকে যশোরের ঘটনাস্থলে এনে হত্যা করে লাশ ফেলে চলে যান।
মামলাটি তদন্ত করে সিআইডি ঐ সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। মঙ্গলবার আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।