মঙ্গলবার সকালে যৌথভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া।
এর আগে, সোমবার (২১ আগস্ট) রাতে ওই দুই বিচারক পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্ত ৯ ব্যক্তিকে জেল ও জরিমানার দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
.png)
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কালীগঞ্জ পৌরসভার দড়িসোম গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে মজিবুর রহমান, ইমাম উদ্দিনের ছেলে ইয়াজ উদ্দিন, জালাল উদ্দিনের ছেলে জোবায়ের (২২), মৃত রশিদের ছেলে সোহেল (৪০), আব্দুল রহিমের ছেলে শাওন মিয়া (২৬), আ. ছাত্তারের ছেলে জনি মিয়া (৩২), কাজল মিয়ার ছেলে সোহান (২৩) ও ভাদার্ত্তী এলাকার মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে শহিদুল্লাহ (৪২) এবং উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের শিংলাব গ্রামের রবি চন্দ্র শীলের ছেলে উদয় চন্দ্র শীল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক গাঁজা ও মদপান করে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করছে; এমন তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। ওই ঘটনার সত্যতা পেয়ে পুলিশ তাদেরকে আটক করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্তদের অর্থদণ্ড জরিমানা ও কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন।
সূত্র আরো জানায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে উদয় চন্দ্র শীলকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা, ইয়াজ উদ্দিনকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং মজিবুর রহমানকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানার দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জোবায়েরকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা, সোহেলকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা, শাওনকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা, জনি মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা, শহিদুল্লাহকে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারা অনুযায়ী সোহানকে ১ হাজার টাকা জরিমানার দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
জনসাধারণের শান্তি রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই বিচারক। এ সময় বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলামসহ থানা-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।