এর আগে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার রৌমারী বিলে নিখোঁজ হয় ওই শিক্ষার্থী।
মৃত সৌহার্দ্য মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলকান্দি এলাকার অধ্যাপক শাহজাহানের ছোট ছেলে। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে জামালপুর শহরের জিগাতলা এলাকায় থাকেন। সে জামালপুর শহরের বেলটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দেয়।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ সৌহার্দ্য ও তার ৪ বন্ধু জামালপুর শহর থেকে মোটরসাইকেলে করে রৌমারী বিলে ঘুরতে যায়। ঘুরতে গিয়ে তারা বিলে গোসল করতে নামে। এ সময় সৌহার্দ্য পানিতে ডুবে গেলে বন্ধুরা তাকে খুঁজতে শুরু করে। পরে তাকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নিখোঁজ সৌহার্দ্যকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। শনিবার দুপুর ২টায় তার মরদেহ ভেসে উঠে।
শিক্ষার্থীর বন্ধু মেঘলার দাবি বলেন, সকাল থেকে বিলে বসে আছি, সৌহার্দ্য আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু ছিল। এখনো ভাবতেই পারছি না সৌহার্দ্যের কিছু হয়েছে। ইচ্ছে ছিল তার জন্মদিনে তাকে সারপ্রাইজ দিব। কিন্তু সেটা আর ভাগ্যে হলো না।
শিক্ষার্থীর বড় বোন স্নিগ্ধা বলেন, আমার সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল। আমি দুপুরে তাকে খাওয়াই দিয়েছি। পরে বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে সে ঘুরতে যায়।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে রৌমারী বিলে ঘুরতে এসে গোসল করার সময় ডুবে যায় সৌহার্দ্য। পরে মরদেহ বিলে ভেসে উঠলে তা উদ্ধার করা হয়।