শুক্রবার ভোরে কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ আলী উপজেলার মহেলা গ্রামের সেকান্দর আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে আসেন ঐ প্রেমিক। পরে ভুক্তভোগীকে উপজেলার পৌলী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মোহাম্মদ আলী। ধর্ষণের পর তার বন্ধু সোহেলের কাছে প্রেমিকা তরুণীকে রেখে চলে যান। এ সুযোগ নিয়ে বন্ধু সোহেলও ঐ তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী তরুণীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
.png)
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা বাদী হয়ে থানায় প্রেমিক মোহাম্মদ আলী এবং তার বন্ধু সোহেলকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পরপরই অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। গত বুধবার গ্রেফতারকৃত সোহেল রানাকে আদালতে মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে ঐ তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে প্রেমিক ও মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী গ্রেফতার করা হয়।
কালিহাতী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান শেখ জানান, ভোরে উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা প্রস্তুতি চলছে।