শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটকে পড়া জেলেদের বাড়ি কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ট্রলারটি ঐ জেলার ইউনুস কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি মা-বাবার দোয়া। বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটকে পড়া ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
.png)
ট্রলার মালিক ইউনুস কোম্পানির বরাত দিয়ে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত ১০ আগস্ট কক্সবাজার ঘাট থেকে যাবতীয় সামগ্রী নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ট্রলারটি। হঠাৎ করে সমুদ্রের আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে উপকূলের মৎস্য বন্দর পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
তবে, আসার সময় পাথরঘাটা থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমের সুন্দরবনের কচিখালী এলাকার এটি ডুবোচরে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আটকা পড়েন জেলেরা। তাদের কাছে থেকে সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও ট্রলারটি চর থেকে নামানো সম্ভব হয়নি। ট্রলারটি উদ্ধারের জন্য কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনকে অবহিত করে বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দুটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এফবি মা-বাবার দোয়া ট্রলারের মাঝি আলা উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, সাগরে মাছ শিকারের সময় হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ দেখে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উপকূলের দিকে ফিরে আসার সময় ডুবোচরে আটকা পড়ে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করছেন।
কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোন মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মুহাম্মাদ মুনতাছির ইবনে মুহাসিন মুঠোফোনে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলেদের উদ্ধারের জন্য আমাদের ৪ সদস্যের একটি টিম ট্রলার নিয়ে রওনা হয়েছে।