সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উত্তর সাগরদী নবগ্রাম রোড এলাকার আব্দুস ছালাম হাওলাদারের ছেলে ইমাম হোসেন হাওলাদার, একই এলাকার মো. মতিউর রহমান খানের ছেলে মো. শাহরিয়া খান শাকিল ও মৃত আবদুল আজিজ খানের ছেলে মো. বাছেদ খান ওরফে বাঘা। এরমধ্যে মো. বাছেদ খান ওরফে বাঘা পলাতক।
.png)
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ুন কবির।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মা সুমি বেগমের সঙ্গে ওষুধ কিনতে যায় শিশু তন্নি। সেখান থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অটোযোগে নবগ্রাম রোডের যুবক হাউজিংয়ের সামনে নামে। সেখানে মা সুমি বেগম মেয়ে তন্নিকে তার বাবা টুনু পালোয়ানকে ডেকে আনতে পাঠান। এরপর থেকেই তন্নি নিখোঁজ হয়।
পরদিন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নবগ্রাম রোডের খানসড়কের আল আমিনের বাড়ির ডোবা থেকে তন্নির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তন্নির বাবা টুনু পালোয়ান বাদী হয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলায় কোতয়ালি মডেল থানার এসআই মশিউর রহমান তদন্ত করে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার এ রায় প্রদান করেন।