ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নাটোরে অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৮, ১৩ আগস্ট ২০২৩
নাটোরে অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড
কারাগারে নেয়া হচ্ছে আসামিদের- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নাটোরের লালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে সুমন আলী নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড ও রফিকুল ইসলাম নামে একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান জানান, স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্নভাবে প্রেম নিবেদন, কু-প্রস্তাবসহ উত্ত্যক্ত করতেন সুমন আলী। বিষয়টি স্কুলছাত্রী বাড়িতে জানানোর পর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সুমন। পরে তিনি তার সহযোগীদের নিয়ে ২০১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঐ স্কুলছাত্রীর বাড়িতে হামলা করে তার মাকে একটি ঘরে আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে চলে যান।

Advertisement

এ সময় তার বাড়ির টিনের বাক্স ভেঙে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণের গহনা লুট করেও নিয়ে যান তারা। পরে স্কুলছাত্রীর মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তার মায়ের ঘরের দরজা খুলে দেন এবং স্কুলছাত্রীর বাবাকে সংবাদ দেন। পরে স্কুল ছাত্রীর বাবা ও স্থানীয়রা অভিযুক্ত সুমনের বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে ফেরত চাইলে বিভিন্ন টালবাহনা করেন।

এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মেয়েকে ফেরতসহ টাকা ও গহনা ফেরত দেবে বলে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। কিন্তু ১৭ তারিখে মেয়েকে না দিয়ে উল্টো তাদের তাড়িয়ে দেন সুমনের পরিবারের সদস্যরা। পরে এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সুমন আলীর নামসহ ছয়জনের নামে ও অজ্ঞাত আরো তিনজনকে অভিযুক্ত করে লালপুর থানায় একটি মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার ও সুমনকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশ তদন্ত করে সুমন আলী ও রফিকুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রমাণ শেষে আদালতের বিচারক আজ এ রায় দেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
ট্যাগ: নাটোর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!