গত ২৪ ঘণ্টায় রাজবাড়ীতে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ জন। এ নিয়ে চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনেই জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৪ জনে। গড় হিসাবে প্রতিদিন প্রায় ২০ জন রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৬৯ জন। এরমধ্যে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ২৪ জন, পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৯ জন, কালুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ জন, বালিয়াকান্দিতে ৮ জন এবং গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন।
.png)
এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৫৮ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৩৭৬ জন। আর সবচেয়ে কম কালুখালী উপজেলায় ৪০ জন। এছাড়া পাংশা উপজেলায় ১৩৪ জন, বালিয়াকান্দিতে ১১০ জন এবং গোয়ালন্দ উপজেলায় ৯৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এবং সাধারণ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে একই ওয়ার্ডের সাধারণ বেডে। ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগীকেই মশারি টাঙানো অবস্থায় দেখা যায়নি।
রাজবাড়ী ডা. আবুল হোসেন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হৃদয় হোসেন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মশারি না টাঙানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে বেশির ভাগ রোগীই মশারি ছাড়া রয়েছেন। তাই আমিও মশারি টাঙাইনি।
রাজবাড়ী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন বলেন, আপাতত ডেঙ্গু রোগীর জন্য আলাদা কোনো ওয়ার্ড করার প্রস্তুতি নেই। তবে ডেঙ্গু রোগীর জন্য পর্যাপ্ত মশারির ব্যবস্থা রয়েছে।
এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজবাড়ীতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের একজনের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের আগমারী গ্রামে। আরেকজন বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।