বুধবার দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার পাঠানধারা গ্রামের আফেজ উদ্দীনের ছেলে।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর উদয় সিংহ।
.png)
মামলার বিবরণে জানা গেছে, আক্কেলপুরের পাঠানধারা গ্রামের মমতাজুর রহমান সাত বছর মালয়েশিয়ায় শ্রমিকের কাজ করার পর ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর দেশে আসেন। একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর রাতের খাওয়া শেষে তিনি নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতে কয়েকজন চোর সিঁধ কেটে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তিনি বিষয়টি টের পেলে চোরদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় চোরেরা। পরে মমতাজুরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়
এ ঘটনায় ২৭ ডিসেম্বর নিহতের ছেলে রশিদুল ইসলাম আক্কেলপুর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ১৯৯৯ সালের ১৬ জুন আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে শহিদুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া মামলার অন্য চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়। খালাস পাওয়া চারজনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।