সোমবার দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে, রোববার রাত ৩টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নের হরিণকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহিন উদ্দিন একই গ্রামের ফকির বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে। মহিন উদ্দিন চট্টগ্রামে নিজের একটি রেস্তোরাঁ চালাতেন।
জানা যায়, মহিন পেশায় একজন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ছিলেন। চারদিন আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে ডুমুরুয়া ইউনিয়নের হরিণকাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে আসেন। রোববার রাত ১১টার দিকে তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে ঘর থেকে বের হয়ে হয়ে যান। রাত ৩টার দিকে তার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে দেখেন স্বামী ঘরে নেই। এরপর তিনি ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন মহিন আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। পরে তাকে উদ্ধার প্রথমে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেলা শহরের প্রাইম হসপিটালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
সেনবাগ থানার ওসি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী জানান, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।