উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে বৃহস্পতিবার দেড় লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারের দেওয়া বীর নিবাসে কনেকে নিয়ে গেছেন নুরুল হক।
জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ভাসা গ্রামের বাসিন্দা কনে মিনা আক্তার। নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গোলাপ মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তার প্রথম স্বামী দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে চার বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করতেন তিনি।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাত ভাইয়ের মধ্যে তিনি ৪ নম্বর। দীর্ঘদিন ধরে তার ভাইয়েরা তাকে বিয়ে করার জন্য বলে আসছিলেন। তবে তিনি বিয়ে করবেন না বলে অনড় ছিলেন। ৭৮ বয়সে এসে তিনি বিয়েতে সম্মতি দেন। মীনা আক্তারের সন্তানদের সম্মতিক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক ফকির তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক বলেন, অনেকদিন ধরে পরিবারের লোকজন ও সহযোদ্ধারা বিয়ের জন্য বলে আসছিলেন। তাই, শেষ বয়সে জীবনসঙ্গী হিসেবে একজনকে বেছে নিলাম।