নিহত ইলিয়াস পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর নতুনপড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি তাঁত ব্যবসা করতেন। পুলিশের ধারণা, তাকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩০ জুলাই) দুপুরে পাবনা শহরে ব্যবসায়ী কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর গভীর রাত হয়ে গেলেও বাড়িতে না আসায় পরিবার বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন ও পাড়া মহল্লায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। এরপর সকালে গয়েশপুর ইউনিয়নের ধোপাঘাটা মোড়ের রাস্তার পাশে মরদেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
.png)
নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান বলেন, গতকাল দুপুরে দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি ইলিয়াস। এরপর সকালে দুই হাত পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়। আমার ছেলের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ থাকার কথা নয়। তারপরও অন্য কোনো কারণে আমার ছেলেকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ছেলে হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
পাবনা সদর থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, সকালে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- রাতের কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে এখানে মরদেহ ফেলে রেখে গেছে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, নিহতের ভাতিজা সোহাগের সঙ্গে স্থানীয় এক ব্যক্তির গত ৯ জুলাই একটি ঝামেলা হয়। সেই থেকে এই ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কিছু আছে আমরা খতিয়ে দেখছি।