রোববার জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। সাজাপ্রাপ্ত সোহেল উপজেলার গণেশপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেলে মুনছুরকে তার বাড়ি থেকে কেরাম খেলার কথা বলে ডেকে নিয়ে যান সোহেল। রাত ৯টার দিকে মুনছুর রহমানের বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। স্থানীয়রা মুনছুর উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলার মহিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
ঐ ঘটনায় নিহতের বাবা হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ২৫ এপ্রিল পাঁচবিবি থানায় মামলা করেন। এরপর মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা ঐ বছরের ৩১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি ও তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে আজ এ রায় দেন আদালত।