মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. জাকিয়া সুলতানা এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর শেখের বাড়ি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের চাঁদমৃগী গ্রামে। তিনি ঐ এলাকার করিম শেখের ছেলে।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, আলমগীর শেখ ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। আলমগীর কাজকর্ম করতেন না। জমিজমা বিক্রির টাকা নষ্ট করতেন। ২০১৩ সালের ২৩ মে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আলমগীর। এরপর লাশ ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান তিনি।
আলমগীর ও সুফিয়া আলাদা বাড়িতে বসবাস করতেন। শুক্রবার সারাদিন আলমগীর বা সুফিয়াকে দেখতে না পেয়ে হবিবর শেখ (আলমের ভাই) তাদের বাড়িতে আসেন। এ সময় ঘরের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় সুফিয়ার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই আবদুল হামিদ মন্ডল বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালতে দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে এ রায় দেওয়া হয়। এ সময় আলমগীর শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পিপি উজির আলী শেখ বলেন, আদালতের রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। এতে বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট।