বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়ার স্বীকারোক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দিতে নাদিম হত্যাকাণ্ডে আসলাম মিয়ার সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। আসলাম মিয়া সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালের বাত্তি এলাকার ভূলো মিয়ার ছেলে।
.png)
বকশীগঞ্জ থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যাকাণ্ডে গত ৩ জুলাই নয়ন মিয়া নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন মিয়ার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আসলাম মিয়া সাংবাদিক নাদিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
গত ১৪ জুন বুধবার পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে পৌর শহরের সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ মোড়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। প্রথমে তাকে বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ও পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান সাংবাদিক নাদিম।
এ ঘটনায় নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে সাধুরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুকে প্রধান আসামি করে নামীয় ২২ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। নাদিম হত্যাকাণ্ডের মামলায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিহত সাংবাদিক নাদিমের পরিবারের দাবি, দ্রুত সব আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।