বুধবার দুপুরে জয়পুরহাটের জেলা ও দায়রা জজ মো. নূর ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের নিজামুদ্দিন ওরফে কিনিমুদ্দিনের ছেলে মো. আতাউল ওরফে আতাউর রহমান, তার স্ত্রী মেরিনা বেগম এবং একই গ্রামের হাউসা ওরফে হাউস মিয়ার ছেলে মো. আমজাদ হোসেন।
জানা যায়, ২০০০ সালের ১১ মে পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের আতাউল মামলার বাদীর বাড়িতে গিয়ে তার মেয়ে মোছা. মঞ্জিলা ওরফে মুরশিদাকে বিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে মুরশিদাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর ১৩ মে বাদীর বাড়ি এসে আসামি আমজাদ হোসেন জানান- মুরশিদা আত্মহত্যা করেছেন। পরে বাদী প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন আতাউল এবং তার স্ত্রী মেরিনাসহ আব্দুল বারীক, হিরা ও আমজাদ মিলে ১২ মে মঞ্জিলাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঐ দিনই বিকেলে মঞ্জিলাকে মারপিট করে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রচার করেন।
.png)
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. খালেদা বেওয়া বাদী হয়ে একই বছরের ১৪ মে পাঁচবিবি থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার দুপুরে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।