শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২ সিপিসি-১ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মামলার ১ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান ও তার ছোটভাই ২ নম্বর আসামি ইউপি সদস্য হাসিবুর রহমান। তারা উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাগোয়ান গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
র্যাব সূত্র জানায়, কুষ্টিয়া ক্যাম্প ও র্যাব-৪ এর সিপিসি-১ মিরপুর ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার মিরপুর পাইকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসামিরা সেন্টু আলী ওরফে বাটুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সেন্টু আলী ওরফে বাটুল একই এলাকার হাসিবুর রহমান ওরফে হাসিব মেম্বারের ছোটভাই মুস্তাক হোসেনকে মারপিট করেন। এরই জের ধরে গত ২১ জুন সন্ধ্যায় বাগোয়ান কামারপাড়া টেনশন মোড় এলাকায় একটি দোকানের পাশে বাটুল দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ সময় মুস্তাক হোসেনসহ কয়েকজন পেছন থেকে হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় বাটুলকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডে ঘটনায় নিহতের বাবা ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে ২৩ জুন ইউপি সদস্য হাসিবুর রহমান ও তার বড়ভাই মিজানুর রহমান এবং ছোটভাই মোস্তাক হোসেনসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানার হত্যা মামলা করেন।