শুক্রবার সকালে নিখোঁজ স্বপন মিয়ার লাশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ফকিরা বাজার বেতাডি নামক এলাকা থেকে উদ্ধার হয়। এছাড়া একইদিন বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সোহেল মিয়ার লাশ উদ্ধার হয়েছে।
মৃত স্বপন মিয়া দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ডেওটুকোন গ্রামের আবু সিদ্দিকের ছেলে এবং সোহেল মিয়া পূর্বধলা উপজেলার আগমারকেন্ডা গ্রামের সাহেদ উদ্দিনের ছেলে।
.png)
জানা গেছে, সকালে কয়েকজন নৌকা নিয়ে নদী পথে লাশের সন্ধানে যায়। ফেরার পথে নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্বপনের লাশ দেখতে পান তারা। এছাড়া সোহেল মিয়ার লাশ ঘটনাস্থলেই ভেসে ওঠে। এর আগে, বৃহস্পতিবার ভোরে মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে আটকা পড়ে নিখোঁজ মাহাবুবের লাশ।
গত বুধবার কংশ নদীর পূর্বধলা উপজেলার জামধলা বাজার ঘাট থেকে ২৩ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈড়গড়া ইউনিয়নের কৈলাটি নতুনবাজার ফেরিঘাটে যাচ্ছিল। নৌকাটি মাঝ নদীতে পৌঁছালে প্রচণ্ড স্রোতের কবলে পড়ে ডুবে যায়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে নৌকার ২০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেন। এ সময় তিন যাত্রী নিখোঁজ ছিলেন।
দুর্গাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান দুইজনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।