আগন্তুকদের মধ্যে বেশিরভাগই স্থানীয় পর্যটক। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
ঈদুল আজহার দিন ভারী বর্ষণের ফলে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারেননি অনেকেই। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিন আকাশ রৌদ্রোজ্জ্বল থাকায় মহনীয় সাগরের টানে সৈকতে ছুটে এসেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। খুশির এমন ক্ষণে একটু হিমেল পরশ নিতে অতিথিরা এসেছেন মায়াবী সাগরকন্যার বুকে। কেউ আপন মানুষটির হাত ধরে হাঁটছেন, আবার কেউ বিধাতার সৃষ্টি প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন বালিয়াড়িতে বসে।
.png)

আগত এসব অতিথিদের সিংহভাগই স্থানীয় এবং পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে এসেছেন এমনটাই দাবি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। বরগুনা থেকে আগত পর্যটক দম্পতি রাজু-রবি জানান, গতকালই তাদের ইচ্ছা ছিল কুয়াকাটায় ভ্রমণের। কিন্তু বৃষ্টির বাধার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারেননি। আজ সকালে আবহাওয়া ভালো দেখে গাড়ি নিয়ে চলে এসেছেন। এখন খুবই ভালো লাগছে।
পর্যটক আউয়াল বলেন, বন্ধুদের নিয়ে গতকাল আমতলী থেকে রওনা হয়েও বিকেলে আসতে পারিনি। তবে আজ এসে বেশ আনন্দ করেছি। বিশেষ করে সাগরে গা ভিজিয়ে একটা তৃপ্তি পেয়েছি। হৈ হুল্লোড়ে ভালো সময় কেটে যাচ্ছে।
এদিকে গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আজহায় তেমন পর্যটকের আগমন ঘটেনি বলে অভিমত ব্যবসায়ীদের। তারা বলছেন, বৈরি আবহাওয়া এর মূল কারণ। এ বছর কোরবানির ঈদে ৪০ ভাগ রুম বুকিং হয়েছে। তবে সৈকতে যারা ভিড় করছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই স্থানীয় পর্যটক।
কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ূন কবির বলে, পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।