স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানান, আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্ত্রাসীরা আশিককে অপহরণ করে। পরে তাকে হত্যা করে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ময়নারঘোনা ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৫৯ ব্লকে ফেলে যায়।
এর আগে, গত ১৯ জুন সকালে উখিয়ার বালুখালীর ৮ নম্বর ক্যাম্পে দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ইমাম হোসেন নামে এক রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন মোহাম্মদ নুর নামে আরেক রোহিঙ্গা। এছাড়া গত ১৭ জুন রাত ১০টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ২ নম্বর ক্যাম্পে আরসার গুলিতে নিহত হন নূর হোসেন ওরফে ভুট্টু নামে এক রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা)। তিনি ঐ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৯ ব্লকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাব-মাঝি ছিলেন।
.png)
পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬১ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন রোহিঙ্গা মাঝি, ১৩ জন আরসা সদস্য, চারজন স্বেচ্ছাসেবকসহ সাধারণ রোহিঙ্গারা রয়েছেন।
এ বিষয়ে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুন অর রশীদ জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এপিবিএন দিনরাত কাজ করছে। চলছে নিয়মিত অভিযান। এরপরও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। তবে এসব অপরাধ দমনে যৌথ অভিযান চালিয়ে সফলতা আসছে।