সরজমিনে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা শহরের কাউতলি মোড়ে, ডিসি-এসপি রোডে, সাবেরা সোবাহান গার্লস স্কুলের সামনে, রেলওয়ে স্টেশনের সামনে, কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠের সামনে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সামনে, নিয়াজ মুহাস্মদ স্টেডিয়ামের সামনে, টিএ রোড, থানা ব্রিজ সংলগ্ন, মৌলভীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে, মেড্ডা বাস স্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় বসেছে এই গো-খাদ্যের বাজার। এসব বাজারে গো-খাদ্য বিক্রেতাদের বেশিরভাগ অন্য পেশার সঙ্গে জড়িত। কোরবানিকে সামনে রেখে গত রোববার থেকে খড়, কাঁচা ঘাস, ভুসি নিয়ে জনাকীর্ণ এলাকায় বসছেন তারা।

.png)
প্রতি আঁটি ঘাস ও খড় ৪০ থেকে ৭০ টাকা এবং ভুসি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যারা পশু কিনে নিজ বাড়িতে রাখছেন তারাই মূলত এসবের ক্রেতা। ক্রেতারাও মনের আনন্দে কোরবানির পশুর জন্য গো-খাদ্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। অস্থায়ী এই বাজার গুলোতে গো-খাদ্য বিক্রি করায় ক্রেতাদের খুব উপকার হয়েছে বলে তারা জানান। খুব সহজেই তারা হাতের নাগালে এই গো-খাদ্যগুলো পাচ্ছেন তাদের কোরবানির পশুর জন্য।
গো-খাদ্য বিক্রেতা জেলা শহরের ফুলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ মিয়া ও বাদশা মিয়া জানান, প্রতি আঁটি খড় ও কাঁচা ঘাস ৪০ থেকে ৬০ দরে বিক্রি করছেন। প্রায় দশ বছর ধরে তারা কোরবানির ঈদের আগে এসব গো-খাদ্য বিক্রি করে আসছেন।
তারা আরো জানান, তারা মূলত শ্রমিকের কাজ করেন। একটু বাড়তি লাভের আশায় প্রতি বছর এসব গো-খাদ্য বিক্রি করে থাকেন। এবার বিক্রি ভালোই হচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে এবং বুধবার আরো বেশি বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মধ্যপাড়ার কাসেম আলী বলেন, কোরবানির জন্য দুইটি গরু এবং একটি খাসি কিনেছি। কোরবানির গরুর জন্য খড় ও ঘাস কিনতে ছুটে এসেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে। আরো দুইদিন তো গরুগুলো পালতে হবে। তাই খড় ও ঘাস কিনতে এলাম।
পৌর এলাকার মেড্ডার বাসিন্দা মো. রনি মিয়া বলেন, কোরবানির জন্য গরু কিনেছি। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি খড় ও ঘাস কিনতে এসেছি। অস্থায়ী বিক্রেতারা ঘাস ও খড় নিয়ে বসায় জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে।