গ্রেফতারকৃত যুবকের নাম সোহান হোসেন। তিনি উপজেলার গহেলাপুর বড়িয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এর আগে সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাণীনগর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া এলাকা থেকে অপহৃত ঐ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে অপহরণকারী যুবককেও গ্রেফতার করা হয়।
.png)
পুলিশ জানায়, ঐ স্কুলছাত্রীকে সোহান বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মেয়েটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিষয়টি পরিবারকে জানান। মেয়ের পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে সমাধানের জন্য সোহানের পরিবারকে জানালে তারা সমাধান না করে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়ের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেন।
২ জুন ঐ স্কুলছাত্রী বাড়ির আঙিনা ঝাড়ু দেওয়ার কাজ করছিল। আর পরিবারের লোকজন বিভিন্নকাজে বাহিরে ছিলেন। এই সুযোগে কয়েকজনের সহযোগিতায় সোহান ঐ স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যান। মেয়ের পরিবার বাড়িতে এসে মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে মেয়েকে না পেয়ে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করাসহ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।