রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের খামারি মোহাম্মদ উল্যা জানান, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে চারদিন বয়সী বাছুরসহ দুই লাখ ৫৩ হাজার টাকা দিয়ে ফ্রিজিয়ান জাতের এই গাভি কেনেন তিনি। ঐ বাছুরটি এখন বড় আকারের একটি ষাঁড়ে পরিণত হয়েছে। যার ওজন প্রায় ৫৮ মণ।
বিশালাকৃতির হওয়ায় খামারি ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘কিং বাবু’। আসন্ন কুরবানির ঈদে ষাঁড়টি বিক্রির জন্য এর দাম হাঁকাচ্ছেন ২০ লাখ টাকা। খুব যত্নে এবং পরম মমতায় লালন-পালন করা ষাঁড়টি তিনি ঢাকার গাবতলীর হাটে তুলেছেন বলে জানা গেছে।
.png)
রায়পুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, ষাঁড়টির পুরো দেহের পরিমাপ করে দেখা হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, প্রস্ত ৭ ফুট ৪ ইঞ্চি। এর ওজন প্রায় ৫৮ মণ। গড়ে ২ হাজার ৩০০ কেজি মাংস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।