মৃত সুমাইয়া খাতুন (১২) ঐ এলাকার দিনমজুর জিয়াউর রহমানের সেজো মেয়ে ও স্থানীয় একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। শুক্রবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
জানা যায়, জিয়াউর রহমানের চার মেয়ে। সুমাইয়া তার সেজো মেয়ে। আসন্ন ঈদুল আজহার বাজার করা নিয়ে দুপুরে খাবার সময় দুই বোনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে সুমাইয়া তার বোন কেয়া আক্তারের ওপর অভিমান করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে অনেক সময় ঘরের দরজা না খোলায় তার পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
.png)
বেলপুকুর থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, অভিমান করে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।