শুক্রবার সকালে গ্রেফতারকৃত মজিদ মোল্লাকে আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বাঘাউরা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, একইদিন দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাকপ্রতিবন্ধী হেদায়েত উল্লা।
জানা যায়, কয়েক মাস আগে হেদায়েত উল্লার বাবা-ভাই মিলে তার স্ত্রী রাকিবা আক্তারকে মারধরের পর বাড়ি থেকে বের করে দেন। স্ত্রী রাকিবা আক্তারকে বাড়িতে আনার চেষ্টা করেন হেদায়েত উল্লা। তবে তার পরিবারের লোকজন এতে রাজি হননি। এ নিয়ে গত ১৬ জুন রাতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয় হেদায়েত উল্লার। একপর্যায়ে হেদায়েত উল্লাকে মারধর করেন বাবা-ভাইসহ পরিবারের লোকজন।
.png)
পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে নবীনগর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সোহেল জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযুক্ত মজিদ মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রাকিবা আক্তার বাদী হয়ে মজিদ মোল্লা, তার স্ত্রী এবং ছেলের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।