গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সীতাকুণ্ড পৌর শহরের এয়াকুব নগর এলাকার দুবাই ফকিরের বাড়ির নুরুল আফসারের ছেলে রবিউল হোসেন বাবলু ও একই এলাকার হাঁসি সওদাগরের বাড়ির আলী আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ আলমগীর। এর মধ্যে রবিউল হোসেন বাবলু এয়াকুব নগর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও মোহাম্মদ আলমগীর সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরো জানায়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর মিরেরহাট বটতলা এলাকার একটি হোটেলে যুবলীগ নেতা ইউসুফকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান যুবদলের নেতা বাবলু ও আলমগীরসহ তাদের সহযোগীরা। এরপর থেকে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।
.png)
শনিবার বাবলুর নেতৃত্বে বড় ধরনের একটি আগ্নেয়াস্ত্রের চালান দারোগারহাট এলাকায় যাবে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে ছদ্মবেশে সেখানে অবস্থান নেয় পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য সহযোগীরা আসার আগেই সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন বাবলু ও আলমগীর। ঐ সময় ধাওয়া করে দুটি ওয়ান শুটার গান ও পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, অস্ত্র আইনে মামলার পর দুই যুবদল নেতাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাবলুর বিরুদ্ধে ডাকাতি, খুন ও নাশকতাসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আর আলমগীরের বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।