বুধবার (১৪ জুন) দুপুরে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের পূর্ব সংগ্রামপুর গ্রামের কবির হোসেন নামে এক কৃষকের গাভী এসব বাচ্চা প্রসব করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন বাবু বলেন, আগে জানতাম ছাগল কিংবা ভেড়া একসঙ্গে ৩-৪টি বাচ্চা দেয়। কিন্তু গাভী একসঙ্গে তিনটা বাচ্চা প্রসব করতে পারে এই প্রথম দেখলাম। এটা আল্লাহর রহমত ও কুদরত বলতে হবে।
.png)
গাভীর মালিক কবির হোসেন জানান, তিনি দুই বছর আগে ৮০ হাজার টাকায় গাভীটি ক্রয় করেন। এরপর থেকে নিয়মিত গাভীটি বাচ্চা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এবার একসঙ্গে তিনটি বাচ্চা দিয়েছে। এদের মধ্যে একটি ষাঁড় ও দুটি বকনা বাছুর।
কবিরের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার বলেন, গাভীটি লালন-পালনের উদ্দ্যেশে ক্রয় করা হয়। আমার স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করে তাই আমি নিজেই গাভটি দেখভাল করি। গাভীটি দেশি জাতের হওয়ায় বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয় না। খড়-ঘাস দিলেই চলে। প্রতিবার একটি করে বাচ্চা দিলেও এবার তিনটি বাচ্চা দেওয়াতে আমি অনেক খুশি।
সংগ্রামপুর গ্রামের আজমত আলী বলেন, শুনেছি গাভীর অনেক সময় দুটি বাচ্চা হয়। কিন্তু এবার প্রথম তিনটি বাচ্চা দেখলাম। যা দেখে অবাক হয়েছি।
গরু চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, আমি এই গাভীতে ভিনদেশি জাতের বীজ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনটি বাচ্চা একসঙ্গে হওয়ায় অন্যরকম এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলাম। তিনটি বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে সব প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।