তিনি উখিয়া উপজেলার রাজা পালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের শিকদারবিল এলাকার শাহ আলমের ছেলে।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফা।
.png)
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভাস্থ প্রধান সড়কের কে কে পাড়ার বাদশা ভাত ঘরের সামনে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি এসি মিনিবাসের সাইড বডিতে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত ১ লাখ ১৫ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। মাদক বহন ও পাচারের দায়ে ওই গাড়ির চালক শাহেদকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, গাড়িতে প্রাপ্ত কিছু ডকুমেন্টস থেকে ধারণা করা হয় এটি কুইকার পাসপোর্ট এন্ড লজিস্টিক নামের একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে। তবে ব্যবসার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত এ বিষয়ে তদন্ত করতে হবে। তবে এই মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে এবং গাড়িটি জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত গাড়িসহ আটকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।