বুধবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের চারজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার বড় নওগাঁ গ্রামের তাজুল চৌকিদারের ছেলে বাবু চৌকিদার। এছাড়া যাবজ্জীবন প্রাপ্তরা হলেন- ডামুড্যা উপজেলার বড় নওগাঁ গ্রামের জুয়েল খান, ফারুক সরদার এবং চর ভয়রা গ্রামের তানভীর হোসেন শামীম।
.png)
জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ডামুড্যা উপজেলার কুলকুড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখার জন্য বের হন তিনি। রাত ৮টার দিকে ঐ বাড়িতে গিয়ে ভুক্তভোগীকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। নিখোঁজের পরের দিন বাড়ির পাশের একটি খালের মধ্যে থেকে ঐ কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২২ অক্টোবর নিহত কিশোরীর বাবা আলাউদ্দিন ছৈয়াল বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে ডামুড্যা থানায় মামলা করেন। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাজিয়া আফরিন জানান, ঐ কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। আদালত এ মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।