গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. কামাল (২৪) এবং আলী হোসেন (২২)। তারা কেন্দুয়া থানার নোয়াদিয়া গ্রামের গন্ধবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং হত্যা মামলার ১ নম্বর ও ৩ নম্বর এজহারভুক্ত আসামি।
সোমবার কেন্দুয়া থানার ওসি আলী হোসেন (পিপিএম) এ তথ্য জানান। ঐদিন তাদের নেত্রকোণা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
ওসি জানান, রোববার কেন্দুয়া থানার এসআই তাপস বনিকের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও সোর্সের মাধ্যমে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি আপন দুই ভাই মো. কামাল ও আলী হোসেনকে গ্রেফতার করে।
তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ হত্যাকাণ্ড ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের পর আইনের হাত থেকে বাঁচার জন্য তারা চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। সোমবার তাদের নেত্রকোণা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, নিহত মো. সোহেলের ভাই রুবেল মিয়া বাদী হয়ে ১ নম্বর আসামি মো. কামাল ৩ নম্বর আসামি আলী হোসেনসহ আটজনকে আসামি করে ২৪ মার্চ কেন্দুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, উপজেলার নোয়াদিয়া গ্রামের সোহেল মিয়ার বড় ভাই আনিস মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমান মিয়ার ছেলে আলী হোসেন ও কামাল মিয়ার আগেই পূর্বশত্রুতা ছিল। এরই মধ্যে গত ২০ মার্চ সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে মানিক মিয়ার দোকানে ক্যারাম খেলা নিয়ে দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষ মারামারিতে জড়ালে প্রতিপক্ষের কুড়ালের আঘাতে গুরুতর আহত হন সোহেল মিয়া। পরে তিনি হাসপাতালে ২১ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।