জানা গেছে, উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ চলে গেছে রোহিঙ্গা চক্রের দখলে। তারা সেখানে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
রোহিঙ্গা নুরুল করিম জানান, ক্যাম্পের ভেতরে তার ঘর। তিনি সড়কের পাশে আম ও পান-সুপারি বিক্রি করেন। এসব পণ্য কোথা থেকে আসে জানতে চাইলে তিনি জানান, টেকনাফ থেকে আনা হয়, কখনো কক্সবাজার গিয়ে নিয়ে আসেন।
.png)
সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহে আরেফীন জানান, ক্যাম্পের আশপাশে রোহিঙ্গারা সড়ক দখল করে দোকানপাট গড়ে তুলেছে। কিছু দোকানপাট দখলমুক্ত করা হয়েছে। যেসব জায়গা এখনো তাদের দখলে রয়েছে, সেগুলো শিগগিরই দখলমুক্ত করা হবে।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুন-অর-রশিদ জানান, রোহিঙ্গারা সড়ক দখল করে দোকানপাট গড়ে তুলেছে। উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্প কাঁটাতারের বেষ্টনীতে ঘেরা। তারপরও কাঁটাতারের বেড়া কেটে রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।
উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান হামিদুল হক চৌধুরী জানান, কক্সবাজারের শ্রমবাজার দিনে দিনে রোহিঙ্গারা দখল করে নিচ্ছে। মাছ ধরা, অটোরিকশা চালানো, ধানক্ষেতের কাজ, দিনমজুরি থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজ তারা নানাভাবে বাগিয়ে নিচ্ছে। এতে স্থানীয়রা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। কাজ কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চলতে তাদের কষ্ট হচ্ছে। আবার রোহিঙ্গারা এলাকায় ছিনতাই, চুরি-ডাকাতি, মাদক পাচারসহ নানা অপরাধ করে যাচ্ছে। এতেও স্থানীয়দের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।